Currently set to Index
Currently set to Follow
others

যুক্তিফাঁদে ফড়িং চমক হাসান Pdf Download

চমক হাসান এর যুক্তিফাঁদে ফড়িং Pdf Download – juktifaade foring pdf download by chamok hasan free bangla book:

একজন কৃষক এসেছে গ্রামের চেয়ারম্যানের কাছে। এসে বলল, ‘চেয়ারম্যান সাহেব, এবার মনে হচ্ছে ফসলের অবস্থা ভালো না। যদি সম্ভব হয় আপনি ওপরের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, আমাদের ত্রাণট্রান লাগতে পারে।’ শুনে চেয়ারম্যান বলল, ‘তুই জানি ক্যাডা? তোর বাপ তো ছিল ফকির, তাই না? ভিক্ষা করে খেত। ফকিরের ছেলে, সে আসছে আমাকে জ্ঞান দিতে— কী করব না করব! যা, ভাগ এখান থেকে।’

যদি আশ্রয় বাক্য আর সিদ্ধান্ত দিয়ে ভাগ করে লেখা যায় তাহলে চেয়ারম্যানের যুক্তি দাঁড়াবে এমন—
কৃষকের বাবা ছিল ভিক্ষুক [আশ্রয় বাক্য] অতএব কৃষিকাজ সম্পর্কে কোনো পরামর্শ দেওয়া তার ঠিক না [সিদ্ধান্ত] একেবারেই ভুয়া যুক্তি, তাই না? তার বাবা কে ছিল সেটা কিন্তু এখানে মোটেই কোনো জরুরি ব্যাপার না। সে একজন কৃষক, তার ফসল সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতেই পারে। এই জায়গায় অযথা বাবাকে টেনে এনে চেয়ারম্যান সাহেব যেটা করলেন, সেটা হলো অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তি আক্রমণ। এটা Ad hominem-এর একটা উদাহরণ।

যুক্তিফাঁদে ফড়িং
চমক হাসান

 

” এই বইয়ে ২৪টি logical fallacy বা যুক্তির ভ্রান্তি নিয়ে গল্প করা হয়েছে, মজার সব উদাহরণ দিয়ে।
বইয়ের মূল চরিত্র হাসিব, যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেই শখের বশে যোগ দেয় গ্রামের স্কুলে, শিক্ষক হিসেবে। গণিত বিজ্ঞানের শিক্ষক হলেও সে দ্রুতই বুঝতে পারে- ছাত্রছাত্রীদের যুক্তিবোধ শাণিত করাটাই আগে জরুরি। তাদের ফড়িংয়ের মতো অস্থির মন যেন কুযুক্তির ফাঁদে পড়ে পথ না হারায়, এজন্য তাদেরকে সে শোনায় যুক্তির নানা ভ্রান্তির গল্প। গল্প শোনাতে শোনাতে সেও কি একটু একটু করে নিজেকে আবিষ্কার করে? “
juktifaade foring pdf download by chamok hasan free

——

ক্যালকুলাসের নাম নিলেই যে দুজন মানুষের নাম সবার আগে আসে তাদের একজন হচ্ছেন মহামতি আইজ্যাক নিউটন এবং আরেকজন গটফেড লিবনিজ। এদের দুজনকে নিয়ে অনেক মজার কথা আছে। ক্যালকুলাসের জনক হিসেবে দুজনকেই এখন মর্যাদা দেওয়া হয়। প্রথমে তাদের মধ্যে কে আগে সেটা আবিষ্কার করেছে তা নিয়ে বেশ বিবাদ-মনোমালিন্য হয়েছিল। এটা গণিতের ইতিহাসে সবচেয়ে বুখ্যাত কিংবা কুখ্যাত বিবাদগ্ডলোর একটা।

 

নিউটন দাবি করেন যে তিনিই আগে ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছেন। নিউটনের নোট বই থেকে প্রমাণ পাণুয়া-যায় তিনি ১৬৬৬ সালে আবিষ্কার করেন। কিন্তু তিনি প্রকাশ করেছিলেন: ১৬৯৩ সালে। এদিকে লিবনিজের নোট বই বলে তিনি ১৬৭৪ সালে এটা আবিষ্কার করেন এবং প্রকাশ করেন ১৬৮৪ সালে। অর্থাৎ নিউটন থেকে লিবনিজ প্রায় আট বছর পরে আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু প্রকাশ করেছিলেন নিউটন থেকে নয় বছর আগে। তার মানে লিবনিজ দাবি করতেই পারেন তিনি আগে আবিষ্কার করেছেন।

 

শেষ পর্যন্ত কে আবিষ্কার করেন, এটা নিয়ে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বাংলাদেশে যেমন প্রায়ই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, তেমন আরকি! ঘটনাক্রমে পদাধিকার বলে সে সময়ে রয়েল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিউটন নিজেই! তদন্ত শেষ করে নিউটন নিজেই স্বাক্ষর করলেন রিপোর্টে “জনাব নিউটনই মনে হইতেছে পূর্বে আবিষ্কার করিয়াছে”! কী তামাশার ব্যাপার! যাহোক এখন আমরা দুজ7নকেই আবিষ্কারকের মর্যাদা দিই।

বর্তমানে ক্ষুদ্র ইজরায়েলে অনেক পঞ্চাশোর্ধ নামকরা গণিতবেত্তা যে রয়েছে তার কারণ হলো 30 বছরনআগে এরাই আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে পুরস্কৃত হয়েছিল। আমাদের দেশ অনেক বড় এবং আমাদের ধৈর্ধ্যও কম তাই আমরা 30 বছর অপেক্ষা করতে পারব না। তার আগেই আজকের ক্ষুদে গণিত পিয়াসীরা বড় বড় গণিতজ্ঞ হয়ে আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।
আশা করি এই বইয়ের সমস্যা সমাধান করতে যেয়ে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের যেমন বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও যুক্তির তীক্ষ্তা বৃদ্ধি পাবে তেমনি পারার আনন্দে তাদের বুক এক বিঘত বৃদ্ধি পাবে।

চমক হাসান এর যুক্তিফাঁদে ফড়িং Pdf Download juktifaade foring pdf link 01link02

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!