Currently set to Index
Currently set to Follow
Bangla islamic book pdf free download

সহিহ ফাযায়েলে আমল Pdf download – তাবলীগ বই Pdf

গ্রন্থের নাম: ফাযায়েলে আমল
লেখক: শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা মুহাম্মদ যাকারিয়া ছাহেব কান্ধলভী রহ.
অনুবাদকের নাম: মুফতী মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ
ফাইল ফরম্যাট: Pdf Download

ফাজায়েলে আমল জাল হাদিস কিনা তা জানুনঃ

জাল হাদিস কি কেবল ফাযায়েলে আমালে আছে?
(ছবি ডাউনলোড করতে গিয়ে আরেকটি জিনিস নজরে পড়ল। ছবিটি দিয়ে এক আল্লাহর বান্দা তার গবেষণাপত্র পোস্ট করেছে। গবেষণার নাম দিয়েছে “ফাজায়িলে আমাল না ফাজিলে আমাল”। এসব শয়তানের অকল্যাণ থেকে আল্লাহ উম্মাহকে হেফাজত করুন।)

ফাজায়েলে আমালের নাম দেখলেও অনেক ভাই-বোন রীতিমত হামলে পড়েন। শাইখুল হাদিস যাকারিয়া কান্ধলভী রহ. [১৮৯৮-১৯৮২ ইং] রচিত অত্যন্ত কল্যানকর এই গ্রন্থটি কাউকে পড়তে বা তালিম করতে দেখলে তাদের মাথায় আগুন চড়ে যায়। হৈ হৈ করে তেড়ে আসেন তারা। এবং বেরহমের মত বলতে থাকেন, ‘এই বই জাল হাদিসে ভরপুর। এই কিতাব পড়া যাবে না।’

দোষটা আসলে দীনি ব্যাপারে অল্প শিক্ষিত এইসব ভাই-বোনের না; তাদের মাথা ‘ধোলাই’ করে দিয়েছেন কিছু নামধারী জ্ঞানপাপী শাইখ। ফাজায়েলে আমালের তাহকিক না করে কেবল কয়েকটি দুর্বল বা মাওজু বর্ণনা দেখে পুরো বইটাকে তারা বাতিল করে দিতে চায়। তারা বোঝাতে চায়, জাল হাদিস থাকলে সেই গ্রন্থ পরিত্যাজ্য। সেই কিতাব পড়া যাবে না।
আশ্চর্য লাগে, যখন এইসব ‘স্বার্থান্বেষী’ শাইখরা স্বপ্রণোদিত হয়ে সুনানু ইবনু মাজাহ পড়ার পরামর্শ দেন বা তাদের গ্রন্থগুলোতে উদ্ধৃতি পেশ করেন। তারা হাকিম নিশাপুরির আল-মুস্তাদরাক এবং ইমাম আহমাদ বিন হাম্বালের আল-মুসনাদের উদ্ধৃতি দেন। তারা কি জানেন না, এসব গ্রন্থেও জাল হাদিস আছে? এবং অনেকগুলোতে ফাজায়েলে আমালের চেয়ে বেশী জাল হাদিস আছে? নাকি কেবল ‘স্বার্থচরিতার্থ’ করার নেশায় তারা এসব করেন?

যারা এতটুকু পড়ে অস্থির হয়ে যাচ্ছেন তাদের জন্য ইমাম জাহাবির কিছু কথা তুলে দিচ্ছি। পড়ে দেখুন। মাথা ঠাণ্ডা রাখুন। ভাবুন। হাকিম নিশাপুরির মত মহান  মুহাদ্দিসের কালজয়ী হাদিসগ্রন্থ সম্পর্কে নিম্নোক্ত কথাগুলো বলা হয়েছে :

হাফিজ জাহাবি মুসতাদরাকে হাকিম সম্পর্কে ইনসাফপূর্ণ মন্তব্য করেন :
‘এর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বর্ণনা বুখারি-মুসলিমের বা তাদের কোনো একজনের শর্ত অনুযায়ী; যদিও সনদে সুক্ষ্ম ও প্রভাবসৃষ্টিকারী কিছু ইল্লতও রয়েছে। এক-চতুর্থাংশ হাসান বা উত্তম সনদধারী। অবশিষ্ট কিছু মুনকার ও আশ্চর্যকর বর্ণনা রয়েছে। তন্মধ্যে প্রায় একশতের মত জাল। জাল বর্ণনাগুলো আমি স্বতন্ত্র গ্রন্থে সংকলন করেছি। মোটকথা, মুসতাদরাক একটি উপকারী গ্রন্থ; আমি গ্রন্থটির সারসংক্ষেপ লিখেছি।’
মুসতাদরাকের ওপর করা অভিযোগের শক্তিশালী খণ্ডন করে জাহাবি লেখেন :
‘আল্লাহর শপথ, আব্বাস মিথ্যাবাদী। সে অত্যন্ত খারাপ মন্তব্য করেছে। এমন একজন শাইখুল ইসলাম ও তৎকালীন শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে।’
সুত্র : সিয়ারু আলামিন নুবালা, ১৭/১৭৪-১৭৫।

মূলত, হাদিস সংকলনগ্রন্থ রচনার সময় জাল হাদিস পরিহারের চেষ্টা সকল মুহাদ্দিস করেছেন। কিন্তু ইজতিহাদগত ব্যবধান ও আরও কিছু পারিপার্শ্বিক কারণে এগুলোতে জাল হাদিস ঢুকে পড়েছে। তারগিব-তারহিব ও ফাজায়িলের গ্রন্থগুলোতে এসব সংযুক্ত হয়েছে অনেক বেশী। ইয়াহইয়াউ উলুমিদ্দিন ও গুনিয়াতুত তালিবিন তার উত্তম দৃষ্টান্ত। কিন্তু এসব গ্রন্থের উপকারিতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে কেউ অস্বীকার করে নি। যুগ যুগ ধরে এসব গ্রন্থ মানুষকে হকের পথে চলতে সাহায্য করেছে। ফাজায়েলে আমালও একই ধারার কিতাব। এতে জাল হাদিস ঢুকে যদি পড়েও থাকে তবু একে বাতিল করে দেওয়া যায় না। দেওয়া আহলে ইলমের কাজ না। যারা একে বাতিল করে দিতে চায়, হয়ত তাদের ইলমুল হাদিস ও কুতুবুল হাদিস সম্পর্কে ধারণা নেই; অথবা তারা স্বার্থান্বেষী জ্ঞানপাপী।

পুনশ্চ, ফাজায়েলে আমল কিতাবের হাদীসগুলোর তাখরিজ আরবিতে অনেক আগেই ছাপা হয়েছে। বিষয়টা যারা জানেন না তাদের জন্য ছবি দিয়ে দিচ্ছি। বাংলাতেও তাহকিককৃত অনূদিত গ্রন্থ অতিসত্বর ছাপা হবে। কিন্তু পোষ্টের মূল বক্তব্যের সাথে এসবের যোগাযোগ নেই। পোস্টের মূল বক্তব্য হলো, কোন কিতাবে জয়ীফ বা জাল হাদিস দেখে হইহই করে ওঠা বা তাকে বাতিল করে দেওয়ার চেষ্টা করা নিতান্ত মূর্খতা বা জ্ঞানপাপ। এবং জয়িফ বা জাল হাদিসগুলোকে ছেটে ফেলার দাবি তোলাও ইলমি দুর্বলতার পরিচায়ক।

fazail e amal bangla pdf free download link: Click here (Mediafire link)

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!