Currently set to Index
Currently set to Follow
Books

সোনালী দুঃখ উপন্যাস Pdf free Download

sonali dukkho by sunil pdf download – সোনালী দুঃখ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় pdf download

বুক রিভিউ
বই : সোনালী-দুঃখ রিভিউ (উপন্যাস)
লেখক : সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
মূল্য : ১২০৳
পৃষ্ঠা – ১০০
হ্যাপি রিডিং
সোনালী দুঃখ summary
এই বই না পড়ে মরে গেলে মরেও মন খারাপ থাকবে।
আমার পড়া সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস। সুনীল মানেই গল্পের জাদুকর বাংলার কিংবদন্তী লেখক।
সর্তকতাঃ যার জীবনে কখনো ভালোবাসা জাগেনি, এ বই পড়লে তার মনে ভালোবাসা জাগবে। ভালোবাসায় যার অবিশ্বাস এসেছে, সে আবার ভালোবাসায় বেঁচে ওঠবে।
চরিত্রঃ রাজকুমার ত্রিস্তান/দুঃখ, রাজকন্যা সোনালী চুল ইসল্ট, রাজা মার্ক, রাজা রিভালেন, রাজা মর্গান, রাজকুমার মোরহল্ট, সখী বরজা, রাজকন্যা রুপালী চুল ইসল্ট, গরভেনাল।
গল্পের পটভূমি ৯00 খ্রিস্টাব্দের। এখানে ইউরোপের তিনটি রাজ্য কর্নওয়েল, লিওনেস, আয়ারল্যান্ড কে ঘিরে গল্পের পটভূমি ফুটে ওঠেছে।
আমি আজ আপনাদের দুজন নারী-পুরুষের ভালোবাসার গান শোনাবো।
ভালোবাসার জন্যই মানুষ পৃথিবীতে জন্মায়, কিন্তু এই যে দুজন—এদের মতো এমন তীব্র-মধুর ভাবে আর কেউ বোধহয় কখনও ভালোবাসেনি।
গল্পটি ত্রিস্তান ও সোনালীর। সে যুগে ত্রিস্তানের মতো বীরপুরুষ, সৌন্দর্য কোনো যুবকের ছিল না আর সোনালি ছিল রাজা আয়ারল্যান্ডের মেয়ে রাজকন্যা তার মতো সুন্দরী পৃথিবীতে দ্বিতীয় কেউ ছিল না। ছোটবেলায় ত্রিস্তানের বাপ-মা মারা যায় সেজন্য তার নাম হয় ত্রিস্তান অর্থাৎ দুঃখের সন্তান দুঃখ। তারপর সে তার নানার রাজ্য লিওনেসে চলে যায়। তারপর বড় হয়ে একাধারে তার নিজের রাজ্যসহ অনেকগুলো রাজ্য জয় করে। তারপর সে আয়ারল্যান্ডে যায় ওই রাজ্যের রাজকন্যাকে রাজ্য জয় করে তার নানা কর্নওয়েলের জন্য রাজরানী হিসেবে নিয়ে আসতে।
সে আয়ারল্যান্ডে গিয়ে ড্রাগনের সঙ্গে লড়াই করে। সে খুব ভারী লড়াই। তারপর আয়ারল্যান্ডের রাজার শর্তানুযায়ী সেনালীর সাথে তার বিয়ে হওয়ার প্রস্তুতি চলে কিন্তু ত্রিস্তানের কর্তব্য ছিল রাজা মার্কের হাতে তুলে দেয়া সে শর্তানুযায়ী সে রাজকন্যা সোনালীকে নিয়ে জাহাজে করে লিওনেসের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিন্তু দুুঃখ-সোনালী ভুল করে প্রেমের অমৃত সুধা পান করে কলস থেকে। তারপর থেকে তাদের জীবন-মারণ একসাথে লিখা হয়ে যায়। এ ভালেবাসা যে তাদের সর্বনাস বয়ে আনবে, এ ভালোবাসার অপর পিঠে যে মৃত্যু লেখা।
তারপর কি! কি তারপর! কি ভয়ংকর সব ভবিষ্যৎ পড়ে আছে ওদের জীবনে। বাকিটা জানতে হলে পড়তে হবে সোনালী-দুঃখ।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সহজ-সরল ভাষায় খুব অল্প কথায় মাত্র ১০০ পৃষ্ঠার মধ্যে এতো সুদীর্ঘ একটা উপন্যাস লিখেছেন। আমি মনে করি বর্তমান সময়ের লেখক হলে এই উপন্যাসটা এক হাজার পৃষ্ঠা করে ফেলত নির্ঘাত।
যাইহোক সোনালী-দুঃখ উপন্যাসটা আমি ঠিক আট বছর আগে ২০১২ সালে প্রথম পড়ি। তখন ভালোবাসা কি বিন্দুমাত্র বুঝতাম না। বিশ্বাস করেন আপনারা সোনালী-দুঃখ পড়ে আমার মনে ভালেবাসার স্পুরণ ঘটে। তারপর আমি প্রেমে পড়ি…
আমার ভালেবাসার গল্পটাও কিন্তু মারাত্মক রকমের ভয়ানক এ যুগ অনুযায়ী।
পরিশেষে বলতে চাই বইটা যদি আপনার মনের মানুষকে উপহার দেন তাহলে আপনাদের ভালোবাসা সোনালী-দুঃখের মতো গভীর হবে আর ক্রাশকে দিয়ে পড়াতে পারলে তো আপনার প্রেম হয়ে যাবে নির্ঘাত।
সোনালী-দুঃখ আমি বার বার পড়েছি বার বার পড়ব মরার আগ পর্যন্ত।
ভালোবাসার জয় হোক।
ভালোবাসা জিন্দাবাদ।
ভালোবাসা আর জীবন যে একসূত্রে বাধা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!